করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন*সামাজিক দুরত্ব মেনে চলুন* ঘন ঘন সাবান ও পানি দিয়ে বা অ্যালকোহলযু্ক্ত হাত-ধোয়ার সামগ্রী ব্যবহার করে আপনার হাত ধূয়ে নিন**নিয়মিত মাস্ক পরিধান করুন*
মায়াজম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মায়াজম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোরা মায়াজম চেনার উপায়

 মায়াজম - সোরা

উৎসঃ মনের কুচিন্তা থেকে চর্মরোগ চাপা দেয়ার ফলে।
দৈহিকঃ দেহ পাতলা জীর্ণশীর্ণ  ।
        বেদনা সত্বেও অঙ্গের পরিবর্তন ঘটায়না।
        সহজে সর্দি লাগে।
        ঘাম ও অতি রজঃস্রাব দুর্গন্ধযুক্ত।
        দাঁত ও জিহ্বা ময়লাযুক্ত।
স্বভাবঃ অস্থির ও তাড়াহুড়ো স্বভাবের বাচাল ।
        মেজাজ রুক্ষ, অন্যের ক্ষতি করার ইচ্ছা ।
        কোন কাজ শুরু করে হঠাৎ নিরুৎসাহী।
        গোসলে অনীহা।
খাদ্যঃ অতি ক্ষুধা / ক্ষুধা-হীনতা ,মিষ্টি টক খাওয়ার ইচ্ছা।
মানসিকঃআত্মকেন্দ্রিক,অহংকারী ,হিংসাপরায়ণ।
        অন্ধকার ভীতি।
যৌনতাঃমাসিকে অনিয়ম, অত্যধিক কাম ভাব।
সময়ঃ যেকোনো সময় রোগের আক্রমণ।
পছন্দঃঠাণ্ডা প্রিয় ,গরম অসহ্য।

সাইকোসিস মায়াজম সহজে চেনার উপায়

 মায়াজম - সাইকোসিস

উৎসঃ দূষিত স্ত্রীলোকের মাধ্যমে ছড়ায় গনোরিয়া,  যা চাপা পড়ে সাইকোসিস (প্রমেহ ) হয় ।

দৈহিকঃ অস্বাভাবিক গঠন, দেহ মোটা ।

         আঁচিল/টিউমার থাকে, ছোট-বড় মাংস বৃদ্ধি ।

         মাথায় ঘাম।

         বাত কফ-কাশি ও কোষ্ঠবদ্ধতা।

         মাংসপেশির রোগ।

         স্থানে স্থানে গোলাকার টাক পড়ে।

স্বভাবঃ  কোন বিষয় গোপন রাখার প্রবৃত্তি।

         ঘনঘন চিকিৎসক বদলায়।

         রাতে শুলেই গড়াগড়ি।

         ঋতু পরিবর্তনের রোগ বৃদ্ধি,মনে পরিবর্তন।

খাদ্যঃ  দুধ হজম হয় না।

মানসিকঃ  মন সবসময় রোগের কথা চিন্তা ।

         স্মৃতি হীনতা , আত্মভোলা।

যৌনতাঃ প্রজনন যন্ত্রের নানা রোগ।

প্রসবের পর স্বাস্থ্য ভেঙে যায় ।

সময়ঃ  সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত রোগ বৃদ্ধি।

মেঘলা দিনও বর্ষাকালে রোগ বৃদ্ধি ঘন ঘন প্রস্রাব।

সিফিলিস মায়াজম সহজে চিনার উপায়

মায়াজম - সিফিলিস 

উৎসঃ অসৎ যৌন সংস্পর্শ থেকে সিফিলিস ঘটে যা লিঙ্গমুণ্ড ও যোনিতে ক্ষত সৃষ্টি করে।
দৈহিকঃ অস্থি বেদনা ক্ষত চাপা দেয়ার পর ফোড়া ব্লাড স্ফীতি টনসিল দেখা দেয়  ।
         চুলকানি ছাড়া চর্মরোগ, উদ্ভেদ।
         শরীরে উত্তাপ ভাব, মুখমন্ডল তৈলাক্ত। 
         প্রসাবে জ্বালা যন্ত্রণা ।
         যত ঘাম বা স্রাব ততো রোগ বৃদ্ধি ।
         জিহবায় ও দাঁতের ছাপ দেখা যায় ।

স্বভাবঃ জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা আত্মহত্যা করতে চায়  ।
                জিনিসপত্র ভাঙচুর করে ।
                চেহারায় বিষণ্ণ ভাব ।
                অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম সহ্য হয় না ।

খাদ্যঃ  চা-কফি মাদকের প্রতি আসক্ত ।
                 মশলাযুক্ত ও ঠান্ডা খাদ্যে আগ্রহ  ।
                 দুধ খেতে চায় ।
                 গোস্ত এর প্রতি অনীহা ।

মানসিকঃ রাতে মন বিষণ্ণ হয়  ।
                উৎকণ্ঠা থাকে, অধৈর্য।
                বিমর্ষ থাকে কথা কম বলে ।
               একা থাকতে চায়  ।
                বিড়বিড় করে কিছু বলে।
যৌনতাঃ
সময়ঃ সন্ধ্যা হতে সকালে যন্ত্রণা বৃদ্ধি।